কচুশাকের কথা

অনলাইন ডেস্ক | 2017/02/05 | 02:45

আয়রনসমৃদ্ধ খাবার হিসেবে কচুশাকের খ্যাতি আছে। বাংলাদেশেও বেশ সহজপ্রাপ্য।

ইলিশ, চিংড়ি ও শুঁটকি মাছের সঙ্গে মুখরোচক খাবার হিসেবে বেশ সুস্বাদু। পুষ্টিগুণও নেহাত কম না। কচুশাকের প্রধান উপাদান আয়রন রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা ঠিক রেখে শরীরে অক্সিজেন সরবরাহ বজায় রাখে। তিনি বলেন, প্রতি ১০০ গ্রাম কচুশাকে ৩৯ গ্রাম প্রোটিন, ৬.৮ গ্রাম শর্করা, ১৫ গ্রাম চর্বি, ২২৭ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ১০ মিলিগ্রাম আয়রন, ৫৬ কিলোক্যালরি খাদ্যশক্তি এবং ভিটামিন এ, বি ৬ ও সি আছে। কচুর ডগা, বিশেষ করে কালো কচুশাকে প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকে। যারা রক্তশূন্যতায় ভুগছে এটি তাদের জন্য একরকম আবশ্যক বলা চলে। রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে গেলে শরীরে অক্সিজেন সরবরাহ কমে যায়। এতে দুর্বলতা, দৃষ্টিশক্তি হ্রাসসহ নানা ধরনের রোগের উপসর্গ দেখা দিতে পারে।

কচুশাকের আয়রন রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা ঠিক রেখে রোগপ্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়। এই শাক সরাসরি শরীরের নির্দিষ্ট কোনো অঙ্গপ্রত্যঙ্গের রোগ দূর করে না, তবে সারা দেহে অক্সিজেনের সরবরাহ বজায় রেখে পুরো শরীরের উপকার করে। এ ছাড়া কচুশাক আঁশসমৃদ্ধ খাবার। সহজে হজম করতে সাহায্য করে বলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বলতে কচুশাক খেলে অনেক সময় গলা চুলকায়। এর কারণ এই শাকে অক্সালিক অ্যাসিড থাকে। যাদের শরীরে এই অ্যাসিডের পরিমাণ মাত্রাতিরিক্ত, তাদের কচুশাক না খাওয়াই ভালো। তবে খেলে যে খুব একটা ক্ষতি হবে, তা না। তবে অস্বস্তি তৈরি করে। সারা রাত ঠান্ডা পানিতে ভিজিয়ে রেখে পানি ফেলে দিলে অক্সালিক অ্যাসিড নিরাপদ মাত্রায় নেমে আসে। এ ছাড়া থ্যালাসেমিয়া রোগী কিংবা হওয়ার সম্ভাবনা আছে এমন কাউকে যেকোনো ধরনের কচুশাক খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।

READ : 1517 times

এইদিনে